মধুচন্দ্রিমা থেকে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। পারিবারিক কলহের জেরে এক নববধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই বাড়ির অন্য একটি ঘর থেকে বিষপান করা অবস্থায় তাঁর স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির ববিনা শহরের। পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে একটি বাড়ি থেকে নববধূ রাধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই বাড়ির অন্য একটি ঘরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিলেন তাঁর স্বামী সাগর সাহু। বিষপানের কারণে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রায় সাত মাস আগে পরিবারের সম্মতিতে রাধা ও সাগরের বিয়ে হয়। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশে মধুচন্দ্রিমা কাটিয়ে বাড়ি ফেরেন তারা। বাড়ি ফেরার পর সামান্য বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে কী কারণে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, পারিবারিক ঝামেলার পর সাগর বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর রাধা বাড়িতেই ছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ফিরে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
অন্যদিকে, রাধার পরিবারের অভিযোগ, এটি আত্মহত্যার ঘটনা নয়; বরং অতিরিক্ত পণের দাবিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিয়ের পর থেকেই সাগরের পরিবার ১০ লাখ টাকা পণ দাবি করে আসছিল। সেই টাকা দিতে না পারায় রাধার ওপর নিয়মিত মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।
এদিকে, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পণের দাবিসহ পরিবারের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির ববিনা শহরের। পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে একটি বাড়ি থেকে নববধূ রাধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই বাড়ির অন্য একটি ঘরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিলেন তাঁর স্বামী সাগর সাহু। বিষপানের কারণে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রায় সাত মাস আগে পরিবারের সম্মতিতে রাধা ও সাগরের বিয়ে হয়। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশে মধুচন্দ্রিমা কাটিয়ে বাড়ি ফেরেন তারা। বাড়ি ফেরার পর সামান্য বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই এই মর্মান্তিক ঘটনার সূত্রপাত বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে কী কারণে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, পারিবারিক ঝামেলার পর সাগর বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর রাধা বাড়িতেই ছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ফিরে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
অন্যদিকে, রাধার পরিবারের অভিযোগ, এটি আত্মহত্যার ঘটনা নয়; বরং অতিরিক্ত পণের দাবিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিয়ের পর থেকেই সাগরের পরিবার ১০ লাখ টাকা পণ দাবি করে আসছিল। সেই টাকা দিতে না পারায় রাধার ওপর নিয়মিত মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।
এদিকে, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পণের দাবিসহ পরিবারের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক